বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এমন কিছু মুখ আছে, যাদের দেখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটি সময়… মনে পড়ে যায় সেইসব সিনেমার গল্প, গান আর প্রেক্ষাগৃহভরা দর্শকের উচ্ছ্বাস।
কেউ এসেছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই হারিয়ে গেছেন। আবার কেউ কেউ সময়কে পেছনে ফেলে আজও জ্বলজ্বল করছেন তারার মতো।
তেমনই এক তারকা—পূর্ণিমা।
একসময় রুপালি পর্দায় তার হাসি, চোখের অভিব্যক্তি আর অভিনয়ের মায়ায় মুগ্ধ হয়েছিল অসংখ্য দর্শক। রিয়াজের সঙ্গে জুটি বেঁধে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা, ‘মনের মাঝে তুমি’র অভাবনীয় সাফল্য, ‘সুভা’ কিংবা ‘শাস্তি’র মতো ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয়, আর শেষ পর্যন্ত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার—সব মিলিয়ে পূর্ণিমার গল্প যেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রেরই একটি দীর্ঘ অধ্যায়।
কিন্তু যে মেয়েটি মাত্র কিশোরী বয়সে চলচ্চিত্রে পা রেখেছিলেন, কীভাবে তিনি হয়ে উঠলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা?
কোন সিনেমা তাকে এনে দিয়েছিল আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা?
কোন চরিত্রে অভিনয় করে প্রমাণ করেছিলেন নিজের অভিনয় দক্ষতা?
আর রুপালি পর্দার সেই চিরচেনা নায়িকা আজ কোথায়, কী করছেন?
আজ ‘তারার আলো’র আয়োজনে আমরা ফিরে দেখব চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার সেই বর্ণিল পথচলা—শৈশব থেকে চলচ্চিত্রে আগমন, তারকাখ্যাতি, সাফল্য, পুরস্কার, ব্যক্তিজীবন এবং আজকের পূর্ণিমা হয়ে ওঠার গল্প।
চলুন, ফিরে যাই সেই সময়টায়… যখন রুপালি পর্দায় এক নতুন নক্ষত্রের জন্ম হয়েছিল।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে যে কজন নায়িকা দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা তাদের অন্যতম। সৌন্দর্য, অভিনয় দক্ষতা এবং পর্দায় সাবলীল উপস্থিতির কারণে খুব অল্প সময়েই তিনি হয়ে উঠেছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ। তার পারিবারিক নাম দিলারা হানিফ রিতা, ডাকনাম রিতা। ১৯৮১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে হলেও বেড়ে ওঠা ঢাকায়।
মাত্র কিশোরী বয়সেই পূর্ণিমার চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু হয়। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক ঘটে তার। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন রিয়াজ। অভিষেকের সময় তিনি ছিলেন একেবারেই তরুণী এবং প্রথম ছবিতেই তার সৌন্দর্য ও অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করতে থাকেন পূর্ণিমা। ক্যারিয়ারের শুরুতে বাণিজ্যিক ধারার সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি ‘মিস ডায়না’ ও ‘কাল্লু মামা’র মতো চলচ্চিত্রেও তাকে ভিন্নভাবে দেখা যায়।
তবে পূর্ণিমার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন আসে ২০০৩ সালে। মতিউর রহমান পানু পরিচালিত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার ‘মনের মাঝে তুমি’ চলচ্চিত্রটি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। রোমান্টিক গল্পের এই সিনেমায় রিয়াজের সঙ্গে তার জুটি দর্শকদের ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করে। সিনেমাটি সে সময় বাংলাদেশের অন্যতম সফল যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এই সিনেমার জন্য পূর্ণিমা মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের তারকা জরিপ বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করেন। রিয়াজের সঙ্গে তার জুটি পরবর্তীকালে আরও অনেক সিনেমায় দর্শকদের আনন্দ দিয়েছে। ক্যারিয়ারে রিয়াজের বিপরীতে ২৫টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা। পাশাপাশি মান্না, শাকিব খান, ফেরদৌস, আমিন খান, রুবেল, কাজী মারুফ ও আরিফিন শুভসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় অনেক নায়কের বিপরীতেও অভিনয় করেছেন তিনি।
শুধু বাণিজ্যিক সিনেমার নায়িকা হিসেবেই নিজেকে আটকে রাখেননি পূর্ণিমা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যনির্ভর ও ভিন্নধর্মী গল্পের চলচ্চিত্রেও অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের অভিনয় প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। এফ আই মানিক পরিচালিত ‘লাল দরিয়া’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করার পর ২০০৪ সালে রাবেয়া খাতুনের উপন্যাস অবলম্বনে চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘মেঘের পরে মেঘ’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। এরপর কাজী নজরুল ইসলামের গল্প অবলম্বনে নির্মিত ‘রাক্ষুসী’ চলচ্চিত্রেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যায় তাকে। ২০০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শাস্তি’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রে চন্দরা চরিত্রে অভিনয় করেন পূর্ণিমা। আর ২০০৬ সালে রবীন্দ্রনাথের ‘সুভা’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত একই নামের চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি দর্শকদের সামনে নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরেন। বাকপ্রতিবন্ধী এক তরুণীর চরিত্রে তার অভিনয় ছিল ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় কাজ।
২০০৬ সালেই মুক্তি পায় পূর্ণিমার আরেকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা ‘হৃদয়ের কথা’। এস এ হক অলিক পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে এবং তিনি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের তারকা জরিপ বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। পরের বছর ‘ধোকা’ চলচ্চিত্রের জন্য সমালোচক পুরস্কারেও শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পান তিনি। একই সময়ে ‘মনের সাথে যুদ্ধ’ চলচ্চিত্রের জন্যও পুরস্কারে মনোনয়ন লাভ করেন। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’ ছিল তার ক্যারিয়ারের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ও বাণিজ্যিকভাবে সফল সিনেমা। এই চলচ্চিত্রের জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের তারকা জরিপ ও সমালোচক—দুই বিভাগেই শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পান তিনি। একই বছর মান্নার প্রযোজিত শেষ চলচ্চিত্র ‘পিতামাতার আমানত’-এও অভিনয় করেন পূর্ণিমা।
এরপর ২০০৯ সালে ‘কে আমি’, ‘মায়ের চোখ’ ও ‘আমার স্বপ্ন আমার সংসার’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ‘শুভ বিবাহ’ সিনেমায় অতিথি চরিত্রেও দেখা যায় তাকে। কিন্তু তার অভিনয়জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি আসে ২০১০ সালে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এই অর্জন পূর্ণিমার ক্যারিয়ারকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। একই বছর ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’ চলচ্চিত্রের জন্যও মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের তারকা জরিপ বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পান।
২০১১ সালে শাহ আলম কিরণ পরিচালিত ‘মাটির ঠিকানা’ এবং আহমেদ নাসির পরিচালিত ‘মায়ের জন্য পাগল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন পূর্ণিমা। দুটি সিনেমাই বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য পায়। ‘মায়ের জন্য পাগল’ সিনেমার জন্য আবারও মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে মনোনয়ন লাভ করেন তিনি। ২০১৩ সালে বড় বাজেটের ‘জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, যেখানে একইসঙ্গে রাজ্জাক, সোহেল রানা, আলমগীর ও শাকিব খানের মতো তারকাদের দেখা যায়। ২০১৪ সালে রিয়াজের বিপরীতে ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন পূর্ণিমা। এরপর কন্যাসন্তানের জন্মের কারণে অভিনয় থেকে কিছুটা বিরতি নেন। প্রায় কয়েক বছর পর ২০১৬ সালে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে নির্মিত ‘বন্ধ দরজা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবারও অভিনয়ে ফেরেন তিনি।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ছোট পর্দাতেও নিজের অভিনয় প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন পূর্ণিমা। ২০১১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ল্যাবরেটরি’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত নাটকে সেজুতি চরিত্রে অভিনয় করেন। একই বছর ঈদ উপলক্ষে নির্মিত ‘ওই খানে যেও নাকো তুমি’, ‘উল্টোধনুক’, ‘এখনও ভালোবাসি’, ‘নীলিমার প্রান্তে দাঁড়িয়ে’ ও ‘অমানিশা’র মতো নাটকে কাজ করেন। ২০১৫ সালে ‘প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাত দিন’ নাটকে মোশাররফ করিম ও ইরেশ যাকেরের সঙ্গে অভিনয় করেন। পরের বছর মাহফুজ আহমেদের সঙ্গে ‘লাভ অ্যান্ড কোং’ নাটকে এবং হৃদয় খানের বিপরীতে ‘ফিরে যাওয়া হলো না’ টেলিফিল্মে অভিনয় করেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি উপস্থাপনাতেও পূর্ণিমা নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, বিটিভির ‘আনন্দমেলা’সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তিনি। কর্পোরেট অনুষ্ঠানেও উপস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তার উপস্থাপনা ক্যারিয়ারের অন্যতম পরিচিত কাজ ‘এবং পূর্ণিমা’। ২০১৮ সাল থেকে তারকাদের নিয়ে আলাপচারিতামূলক এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে নতুন এক পূর্ণিমাকে পাওয়া যায়। অভিনয়ের বাইরে তার সাবলীল কথাবার্তা ও উপস্থাপনার দক্ষতাও দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে।
ব্যক্তিজীবনেও নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে এই অভিনেত্রীকে। ২০০৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয় এবং ২০০৭ সালের ১৫ মে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। একই বছরের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদকে বিয়ে করেন তিনি। ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল পূর্ণিমা প্রথম কন্যাসন্তানের মা হন। তার মেয়ের নাম আরশিয়া উমাইজা। পরবর্তীতে ফাহাদ জামালের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর ২০২২ সালের ২৭ মে আশফাকুর রহমান রবিনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা।
প্রায় তিন দশকের কাছাকাছি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা। তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আর জনপ্রিয়তার বিচারে ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘সুভা’সহ বেশ কিছু সিনেমা আজও দর্শকদের মনে জায়গা করে আছে। বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের গ্ল্যামার, সাহিত্যনির্ভর সিনেমার চ্যালেঞ্জিং চরিত্র, টেলিভিশন নাটক কিংবা উপস্থাপনা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে একজন তরুণ অভিনেত্রী হিসেবে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, সময়ের সঙ্গে সেই পথচলা তাকে এনে দিয়েছে জনপ্রিয়তা, পুরস্কার ও দর্শকের ভালোবাসা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে যেমন পূর্ণিমার একটি উজ্জ্বল অধ্যায় রয়েছে, তেমনি অভিনয়ের বৈচিত্র্য ও দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার কারণেও তিনি হয়ে উঠেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম স্মরণীয় অভিনেত্রী। পূর্ণিমা তাই শুধু একটি নাম নয়, বাংলাদেশের বিনোদন জগতের একটি দীর্ঘ ও বর্ণিল অধ্যায়ের নাম।
আরও খবর
হুমায়ূন ফরীদি | মঞ্চ থেকে রুপালি পর্দা | ভিলেন থেকে কিংবদন্তি | একশিল্পীর হাজারো চরিত্র | Humayun Faridi.
বাংলা অভিনয় জগতে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের শুধু অভিনেতা বললে যেন তাদের প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ তারা একটি...
ঢালিউডের বুনো সুন্দরী পপি
সাদিকা পারভিন পপি—বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের আলোচিত ও জনপ্রিয় এক নাম। রূপ, গ্ল্যামার, অভিনয় আর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা সাফল্য মিলিয়ে তিনি নব্বইয়ের...
ঢাকাই সিনেমার রাজা | নায়করাজ রাজ্জাক | প্রেম, সংগ্রাম, সাফল্য আর কিংবদন্তি হয়ে ওঠার গল্প
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কিছু নাম শুধু অভিনেতার পরিচয় বহন করে না—তারা নিজেরাই হয়ে ওঠেন একটি যুগের নাম। যাদের পর্দায় উপস্থিতি...
মৌসুমী | নব্বইয়ের দশকের স্বপ্নের নায়িকা (ভিডিও)
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে এমন কিছু নায়িকা আছেন, যাদের নাম উচ্চারণ করলেই ভেসে ওঠে একটি সোনালি সময়ের স্মৃতি। সেই তালিকার একেবারে...
সালমান শাহ | অমর মহানায়কের অজানা গল্প (ভিডিও)
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু যাদের জনপ্রিয়তা কখনও শেষ হয়নি। সেই নামগুলোর একেবারে শীর্ষে...
মা হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা
টিভি নাটকের অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা জামান। গেল বছর নভেম্বরে ভালোবেসে নারায়ণগঞ্জের ছেলে রাকিবুল হাসানকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। বর পেশায় টেক্সটাইল...
