সঙ্কট কাটিয়ে আবারও আলোচনায় জয়ার ‘বিউটি সার্কাস’

Spread the love

সব সঙ্কটের অবসান। অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত চলচ্চিত্র ‘বিউটি সার্কাস’। এ মূহুর্তে চলছে ডাবিং এর কাজ। ডাবিংয়ে অংশ নিচ্ছেন জয়া। ডাবিং শেষ হলেই ক্যাম্পেইন শুরু করবে বিউটি সার্কাস টিম। আগামীবছরের শুরুতেই সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক মাহমুদ দিদার। তিনি বলেন, ‘বিউটি সার্কাস নিয়ে যাত্রাটা একটা নরক যন্ত্রণা ছিল। সবশেষে যে শুটিং শেষ করেছি এটা অনেক বড় ব্যাপার। এখন ডাবিং চলছে। ডিসেম্বরেই আমরা ক্যাম্পেইন শুরু করবো এবং আগামীবছরের প্রথমদিকে মুক্তি দেওয়ার চিন্তা আছে আমাদের।’

উল্লেখ্য, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পায় বিউটি সার্কাস চলচ্চিত্রটি। শুটিং শুরু হয় ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। নওগাঁয় টানা ১১ দিন শুটিং হয়। প্রথম লটের শুটিং শেষ করেই অর্থসঙ্কটে পড়ে সিনেমাটি। অর্থাভাবে প্রায় ১ বছর নির্মাতা কোনো শ্যুট করেননি। অর্থসঙ্কট কাটিয়ে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ১১ মার্চ পর্যন্ত আবারও শুটিং হয়। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার গোপালপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এর শুটিং শেষ করা হয়। পরিচালক বলেন, ‘আমরা সিনেমাটির বাজেট নির্ধারণ করেছিলাম দেড় কোটি টাকা। সবকিছু বিবেচনা করে আরেকটু কমিয়ে তা ১ কোটি ২০ লাখ টাকার মধ্যে এনেছিলাম। কিন্তু মাঠে নেমে দেখা গেল, শুরুতে যে বাজেট করেছিলাম, সেটার বাস্তবতা বহুদূর।

সিনেমাটির প্রথম স্লটের শুটিং যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন আমরা কত বড় আয়োজন করেছিলাম এবং কত সংখ্যক মানুষের সমাবেশ ঘটিয়েছিলাম। যা হোক, আমাদের সিনেমা বাস্তবতায় খুব কম বাজেটে সিনেমা তৈরি করা উচিত। কিন্তু এ সিনেমার ক্যানভাসটাই তৈরি হয়েছিল বড় আকারে। যেটা আমরা চাইলেই ছোট করতে পারিনি। আবার সরকারি অনুদানের টাকা যেভাবে কয়েকটি ভাগে দেওয়া হয় তাতে এ অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নানা ঝামেলা হয়, কাজের ফলাফল বা গুরুত্ব কমে আসে। অনুদানে প্রথম কিস্তির ১০ লাখ টাকা প্রি-প্রডাকশনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের পেছনেই ব্যয় হয়ে যায়। যে কারণে শুটিং শুরু করতে সঙ্কটে পড়তে হয়।’