শ্বশুরবাড়িতে নতুন বউ যে নিয়মগুলো মেনে চলবেন

Spread the love

বিয়ের পর মেয়েদের চলে যেতে হয় শশুরবাড়ি। সেখানে নতুন পরিবেশ। নতুন মানুষজন। নতুন সব নিয়ম। যার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া খুব কষ্টকর হয়ে যায়। বেশরিভাগ মেয়েরাই এই নতুন পরিবেশটিকে মানিয়ে নিতে পারে না। তারা নিজের মত করে আর পায় না এই বাড়িটিকে। তাই অনেক সময় মনের অজান্তেই খারাপ কিছু হয়ে যায়। যেতে পারে। এ জন্য কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে।
– সঙ্গীর সাহায্য নিন। তার কাছ থেকে জেনে নিন কেমন আচরণে পরিবার বিব্রতবোধ করে।
– সকলের পছন্দ-অপছন্দ জানুন, সকলের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জেনে রাখুন। – প্রতিটি বাড়ির কিছু আলাদা নিয়ম থাকে। বাড়ির নিয়মগুলো ভালোভাবে জেনে নিন।
– বিবাহিত জীবনের সবচাইতে বড় সম্বল হচ্ছে ম্যাচিউরিটি। দাম্পত্যে ম্যাচিউর আচরণ আপনাকে যা দিতে পারবে, অন্য কিছুই তা পারবে না। পরিবারের সকলকে বোঝার চেষ্টা করুন, ক্ষমা করতে শিখুন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক রক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।
– শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়ের সাথে আর্থিক লেনদেন একদমই পরিহার করুন।
– বয়সে বড় সকলের জন্যেই সম্মান ও ছোটদের জন্যে স্নেহ বরাদ্দ রাখুন।
– ভনিতা করে বা অভিনয় করে ভালোবাসা পাওয়া যায় না। হয়তো আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি যেমন পছন্দ করেন, আপনি তেমন নন। কিন্তু তাই বলে নিজেকে তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী করার চেষ্টা করে লাভ নেই। আপনি যেমন আছেন, সেভাবেই তাঁদের মন জয় করার চেষ্টা করুন।
– শ্বশুরবাড়ির কারো ব্যক্তিগত দাম্পত্য জীবনে নাক গলাবেন না। উপদেশ দিতে যাবেন না। কেবল তখনই কথা বলুন, যখন অন্য পক্ষ সেটা শুনতে চায়।
– নিজেকে শান্ত রাখতে শিখুন।
– সম্পর্কের সীমারেখা থাকা জরুরী, তাই স্বামী-স্ত্রী মিলে ঠিক করুন ব্যাপারগুলো। যেমন- শ্বশুরবাড়িতে কী দেবেন আর কীভাবে, উৎসব-অনুষ্ঠানে কী হবে, কোন ব্যাপারগুলোতে আপনারা কথা বলবেন আর কোনগুলো এড়িয়ে যাবেন ইত্যাদি।
সর্বপরি নিজের এই নতুন বাড়িটিই আপনার আসল ঠিকানা। এখানে আপনার শেষ দিনটি পর্যন্ত থাকতে হবে। তাই আপন ঠিকানাটিকে নিজের ভেবে সব কিছুকে আপন করে নিন। সবাইকে আপন করে নিন। সব খারাপ চোখে দেখেও অনেক সময় তা নিয়ে খুব বেশি বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়, তাই বুদ্ধি দিয়ে সবাইকে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে নিন।