মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশর মুকুট জিতে নিলেন ঐশী

Spread the love

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের মুকুট জিতে নিলেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। সৌন্দর্য আর মেধা- এ দুইয়ের সমন্বয়ে সবাইকে পেছনে ফেলে তিনি ৮ ডিসেম্বর থেকে চীনের সানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ৬৮তম মিস ওয়ার্ল্ডের মূল পর্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন নিশাত নাওয়ার সালওয়া এবং দ্বিতীয় রানারআপ নাজিবা বুশরা।

রোববার সন্ধ্যায় ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের’ গ্র্যান্ড ফাইনালে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। অন্তর শোবিজ আয়োজিত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটির রাজদর্শন মিলনায়তনে।

এবারের আসরে মূল বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শুভ্রদেব, মডেল ও অভিনেত্রী তারিন, মডেল ও অভিনেতা খালেদ সুজন এবং মডেল ইমি। তাদের মধ্যে তারিন গ্র্যান্ড ফাইনালে উপস্থিত ছিলেন না। মূল বিচারকদের সঙ্গে ফাইনালে আইকন বিচারক হিসেবে ছিলেন মাইলস ব্যান্ডের শাফিন আহমেদ, হামিন আহমেদ এবং নৃত্যশিল্পী আনিসুল ইসলাম হিরু।

সেরা হওয়ার লড়াইয়ে নিজেদের প্রতিভার ঝলক দেখান সেরা ১০ সুন্দরী- নিশাত নাওয়ার সালওয়া, মনজিরা বাশার, ইশরাত জাহান সাবরিন, স্মিতা টুম্পা বাড়ৈ, আফরিন সুলতানা লাবণী, সুমনা নাথ অনন্যা, নাজিবা বুশরা, জান্নাতুল মাওয়া, শিরীন শিলা এবং জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পাশাপাশি আরও ৯টি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে নিশাত নাওয়ার সালওয়া ‘মিস ইন্টেলিজেন্ট’, ইশরাত জাহান সাবরিন ‘মিস স্পোর্টি’, স্মিতা টুম্পা বাড়ৈ ‘মিস ট্রেন্ডি’, আফরিন সুলতানা লাবণী ‘মিস বিহেভিয়ার’, সুমনা নাথ অনন্যা ‘মিস স্মাইল’, নাজিবা বুশরা ‘মিস ট্যালেন্টেড’, জান্নাতুল মাওয়া ‘মিস ফটোজেনিক’, শিরীন শিলা ‘মিস পার্সোনালিটি’ এবং জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী পেয়েছেন ‘মিস অ্যাপিয়ারেন্স’।

গ্র্যান্ড ফাইনালের শুরুতেই মঞ্চে আসেন গতবারের সেরা দশের চারজন- মিফতা, প্রিয়াংকা, মেহবুবা অনী ও সঞ্চিতা। তারা কাজী নজরুল ইসলামের নারী জাগরণী ‘জাগো জাগো’ শিরোনামে গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ‘নাচে গো সুন্দরী কমলা’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান। তিনি গেয়ে শোনান ‘তোমার চোখে দু’চোখ রেখে পড়ে না চোখের পাতা’। গ্র্যান্ড ফাইনাল উপস্থাপনা করেন আজরা মাহমুদ, আরজে নীরব খান এবং ডিজে সনিকা।

গ্র্যান্ড ফাইনালের আগে এই দশ প্রতিযোগীকে নিয়ে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজন করা হয় গ্রুমিং পর্ব। তিনি আরও জানান, এবার মূল পর্বের আগে প্রায় তিন মাস সময় পাওয়া যাবে। ফলে চূড়ান্ত বিজয়ীকে তৈরি করার জন্য বেশি সময় পাওয়া যাবে। ভারতের খ্যাতিমান গ্রুমার নয়নিকা চ্যাটার্জি তাকে প্রশিক্ষণ দেবেন।