মিস ওয়ার্ল্ডের সেই বিতর্কিত H2O-এর জবাব দিলেন অনন্যা

Spread the love

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা নিয়ে আবারও বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে এবার গতবারের মত বিয়ে করা প্রতিযোগিকে নিয়ে নয়, এবার অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের প্রশ্ন-উত্তরকে কেন্দ্র করে। এর আগে বিয়ের খবর গোপন করা নিয়ে প্রতিযোগিতাটি বিতর্কে পড়ে।

এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় সেরা দশে ছিলেন প্রতিযোগি অনন্যা অনু। গ্র্যান্ড ফিনালে ভুল উত্তর দেওয়াকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি বেশ টোলের শিকার হচ্ছেন।

গ্রান্ড ফিনালের দিন বিচারক খালেদ হোসেন সুজন অনন্যাকে প্রশ্ন করেন, ‘এইচ-টু-ও মানে কী?’ উত্তরে অনন্যা বলেছিলেন, ‘এইচ-টু-ও নামে ধানমণ্ডিতে একটি রেস্টুরেন্ট আছে।’ অনন্যার উত্তর শোনার পর থেকে ফেসবুকে চলছে সমালোচনার ঝড়।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনন্যা বলেন, ‘এইচ-টু-ও নিয়ে এত কথা হবে, বুঝতে পারিনি। প্রথমত, প্রশ্নটা আমি বুঝতে পারিনি। আমাকে যদি বলা হতো কিসের সংকেত? তাহলে হয়তো আমি বুঝতে পারতাম। সঠিক উত্তরও দিতাম। আসলে আমি প্রশ্ন শুনে দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, শ্রদ্ধেয় বিচারক স্যার হয়তো মজা করে প্রশ্নটা করেছেন। মূল প্রশ্ন পরে করবেন। আমি মেনে নিচ্ছি, আমি ভুল উত্তর দিয়েছি। তাই বলে এটা এত ভাইরাল হবে? সবকিছুর তো ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকও থাকে। এ ঘটনারও হচ্ছে। যারা আমাকে ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক কথা বলছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে সামনে আরও ভালো কাজ করতে পারি।’

তিনি আরও জানান, ‘গতকাল ধানমণ্ডির এইচ-টু-ও রেস্টুরেন্ট থেকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমিও গিয়েছিলাম। রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের সবাই আমাকে সম্মান জানিয়েছেন। বনানীতে তাদের রেস্টুরেন্টের শাখা আছে, সেখানেও আমাকে যেতে বলেছেন। আমি হয়তো সেখানেও যাব।’

যদিও অনন্যা নিজের দোষ বা ভুলটিকে মুছে ফেলার জন্য ওই রেস্তরায় গিয়ে ছবি তুলে তা প্রকাশ করছেন কিন্তু তাতে কি আর লাভ হয়?

অনন্যা অনু ঢাকা আইডিয়াল কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়ছেন। তিনি উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।