তিশা কেনো এতো জনপ্রিয়?

Spread the love

নুসরাত ইমরোজ তিশা। এই অভিনেত্রী মানেই ভিন্নরকম কিছু। বিজ্ঞাপন, টিভি নাটক ও চলচ্চিত্র সব মাধ্যমেই তিনি অতুলোনিয়। ২০০৩ সাল থেকে তিশা টিভি নাটক ও বিজ্ঞাপনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। প্রথম সিনেমাতেই বাজিমাত করেন তিশা। এরপর ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে ‘মেন্টাল’ সিনেমাতেও দেখা গেছে তাকে। এটিতেও বেশ সাড়া ফেলেন তিনি। তবে নিজেকে নিয়ে তিশার ভাবনা অন্যরকম।

নিজের যোগ্যতা নয়, তিশা কাজের প্রশংসার সব কৃতিত্ব দিতে চান শুধুমাত্র নির্মাতাকে। নির্মাতাদের কারণেই তিশা আজ তিশা হয়ে উঠেছেন। তার মতে, একজন নির্মাতার নিপুণ সৃষ্টির মাধ্যমে একজন শিল্পী নিজেকে পরিপূর্ণভাবে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন। ছোট পর্দায়ও বেশ প্রশংসিত হয়েছেন অভিনেত্রী। গত ঈদে একাধিক ধারাবাহিক-একক ও টেলিছবিতে তাকে দেখা গেছে। এরমধ্যে তার অভিনীত ‘আয়েশা’ টেলিছবিটি সব শ্রেণির দর্শকের প্রশংসা কুড়ায়।

ঈদে প্রায় ১১ বছর পর টেলিভিশনের জন্য টেলিছবি নির্মাণ করেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আনিসুল হকের লেখা উপন্যাস ‘আয়েশামঙ্গল’ অবলম্বনে এটি নির্মাণ করেন তিনি। এটিতে আয়েশা চরিত্রে অভিনয় করেন তিশা। তার সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

আয়েশা ছাড়াও তিশাকে ঈদে দেখা গেছে সাগর জাহানের ‘মাখন মিয়ার শিক্ষিত বউটা’ ও ‘মাহিনের রূপবান বিয়ে’, মাবরুর রশিদ বান্নাহর ‘একটু হাসো’, মাসুদ সেজানের ‘চরিত্র : স্ত্রী’, আবু হায়াত মাহমুদের ‘বৃত্ত’সহ বেশ কিছু নাটকে।