গুনের শেষ নেই ধনেপাতার

Spread the love

ধনেপাতাকে ঔষধি পাতা বলা হয়। নানান রোগের প্রতিশেধক ও প্রতিকারক হিসেবে কাজ করে এ পাতা। ধনেপাতায় প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন থাকায় এটি চোখ ও দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে। এছাড়াও এতে রয়েছে আরও নানা ধরণের ভিটামিন ও খনিজ। ধনেপাতা নানা রকমের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

এতে রয়েছে ভিটামিন বি, সি, এবং কে। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন ও সোডিয়াম ইত্যাদি পাওয়া যায়। যা শরীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ধনেপাতা নানা রোগের প্রতিষেধক ও প্রতিকারক হিসেবে কাজ করে-

– স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করতে এটি সাহায্য করে।

– হজম, পাকস্থলি প্রদাহ, বাত ইত্যাদি রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

– শরীরের ক্ষতিকারক চর্বি কমাতে ও উপকারি চর্বি বাড়াতে সাহায্য করে।

– আলসেইমার নামক মস্তিষ্কের রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে এটি।

– স্যালমোনেলার মতো ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ধনেপাতা কাজ করে।

– নানা রকমের এলার্জি, আমবাত, ফোঁড়া অথবা চুলকানি হলে ধনেপাতা পেস্ট করে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

– ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই পাতা বিশেষ উপকারি। এটি রোগীর দেহের ইনসুলিনের মাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।

– ধনেপাতায় আয়রন বেশি থাকায় এটি রক্তস্বল্পতা দূর করে।

এছাড়াও ধনেপাতা খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। রূপচর্চায় ধনেপাতা সাহায্য করে। এর রস জীবাণুনাশক। তাই ত্বকের যে কোনো ধরনের সমস্যা সমাধানে ধনেপাতার রস ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

– ধনেপাতার মধ্যে আয়রন থাকে। তাই রক্তসল্পতা রোধে সাহায্য করে এই খাবার। তাই যারা রক্তসল্পতায় ভুগছেন তারা ধনেপাতা খেলে উপকার পাবেন।

– ধনেপাতার মধ্যে সিনিওল এসেনশিয়াল অয়েল এবং লিনোলিক অ্যাসিড থাকে। এগুলো শরীরের পুরনো ও নাছোড় ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

– ধনেপাতার মধ্যে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান থাকায় তা শরীরে টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে। এর অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান বিভিন্ন চর্মরোগ কমায়। এছাড়া দাঁত মজবুত করতে ও মাড়ির সুস্থতাতেও কাজে আসে এই পাতা।

– ধনেপাতা শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলকে কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যকৃতকে সুস্থ রাখতে এই পাতার জুড়ি নেই।

– ডায়াবিটিসে আক্রান্তদের জন্য ধনেপাতা অত্যন্ত উপকারী। ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ধনেপাতা।